Breaking News

স্বামীর যে দশটি কথা স্ত্রীর মন ভে’ঙ্গে দেয়, এত সুন্দর পোষ্ট না পড়লে ভুল করবেন!

নিজের স্ত্রীকে জীবনে এই দশটি কথা কখনোই বলবেন না। সং’সার জীবনে সুখী হতে চাইলে এবং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আজীবন ভালোবাসার স’ম্পর্ককে অটুট রাখতে চাইলে কোনো স্বামী তার স্ত্রীকে এই দশটা কথা কখনো বলবেন না।

স্বামী ও স্ত্রী একে অন্যের পো’শাক স্ব’রূপ। স্বামীর অ’র্ধাঙ্গী বলা হয়ে থাকে। একজন ভালো স্বামী এবং স্ত্রী উ’ভয়ে মিলে পূ’র্ণাঙ্গ হয় পরি’পূর্ণ হয়ে ওঠে তাদের জীবন। এটা সারা জীবনের প্রকৃত সুখ পাওয়া যায় না।

স্বামী এবং স্ত্রী শুধুমাত্র একটি স’ম্পর্ক নয় বরং একে অপরের জন্য একজন ভালো বন্ধু। বি’পদে-আ’পদে সুখে-দুখে একে অন্যকে ভরসা প্রদান করে। স্ত্রী তার জীবনের স’মস্ত সুখ দুঃখ তার স্বামীর সাথে ভা’গ করে নেয় এবং স্বামী ও ঠিক তাই করে।

তাই স্বমীর ক’র্তব্য তার স্ত্রীর সঙ্গে ভালো আ’চরণ করা।এর মাধ্যমে উত্তম স্বামী হয়ে উঠতে পারেন। স্বা’মীর কর্তব্য হলো তার স্ত্রীর নিকট স’র্বোত্তম হয়ে ওঠা।নিজের মধ্যে গো’পন এমন কিছু থাকবে না যা তারা নিজেদের মধ্যে ব্যাপারটিকে লুকিয়ে রাখবেন।

উভয়ের মধ্যে সু’সম্পর্ক রাখতে বিশেষ করে দশটি কথা মেনে চলতে হবে যা স্বামী তার স্ত্রী’কে কখনো বলবে না,বা বলা উচিত নয় কারণ এ কথাগুলো বললে পরিবারের শা’ন্তি থাকবে না তার পাশাপাশি দুজনের মধ্যে ভালবাসার পরিবর্তে ঘৃ’ণা সৃ’ষ্টি হবে। স্বামী তার স্ত্রী’কে যে কথাগুলো বলবে না সেগুলি হল।

১) তোমার মা-বাবা ভাল না। তাদের গালমন্দ করা। সবথেকে বড় খা’রাপ কাজ হলো মা-বাবাকে গা’লমন্দ করা। কোন ব্যক্তি অ’পরের মা-বাবাকে গা’লিগা’লাজ করা অর্থ নিজের মা-বাবাকে গা’লিগা’লাজ করা। একজন স্বামী কখনোই তার স্ত্রীর পিতা-মাতাকে উদ্দেশ্য করে ক’টু কথা বলবেন না।

২) তোমাকে বিয়ে করে ভু’ল করেছি:-সময় কোন কোন স্বামী যদি স্ত্রীকে বলে থাকে যে তোমাকে বিয়ে করে আমি ভুল করেছি তোমার থেকে অন্য কোন মেয়েকে বিয়ে করলে আমি আরো বেশি সুখী হতাম।

এমনটা বলা কখনই উচিত নয়। এমনটা করা কে চর’ম মূ’র্খতা বলে বিবেচনা করা হয়। মানুষ মাত্রই ভুল করে। তাই কোনো স্ত্রী যদি কিছু ভুল করে থাকে তাহলে স্বা’মীর অবশ্যই সেটিকে সঠিক করে দেওয়া উচিত এবং এ বিষয়ে স্ত্রী’কে বোঝানো উচিত।

৩) আমি কত টাকা উপার্জন করে জানো? এভাবে অ’হংকার করা :-অনেকেই তাদের স্ত্রী’কে উ’দ্দেশ্য করে আয় উ’পার্জনের বড়াই করে বলে যে আমি কতটাকা ইনকাম করি তুমি কি তা জানো?

এ ধরনের নানান কথা অথচ এ ধরনের ক’থাবার্তা বলা একজন নারীকে একেবারে উচিত নয়। সবকিছুর একটি মাত্রা থাকে আর এই রকম ভাবে বলার ফলে স্ত্রী’ও খা’নিকটা আশাবাদী হয়ে ওঠে খরচের ব্যাপারে আর তখন তাদের চাহিদাটা বৃ’দ্ধি পাওয়ায় স্বাভাবিক।

৪)তোমাকে আর ভালো লা’গেনা: অনেক স্বমী তার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে এই কথাটি বলে থাকেন। কোথায় কোথায় স্ত্রীকে বলতে থাকে আগের মতন তোমাকে আর ভালো লাগে না। এছাড়াও অনেকে আবার দ্বিতীয় বিয়ে করে নেই। তবে খারাপ পরি’স্থিতির ছাড়াএ কাজ করা মোটেও উচিত নয়। সুতরাং স্ত্রীকে ভালোবাসুনএবং স্ত্রীর কাছে একজন স্বামী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলুন।

৫) ভাই বোনদের ব্যাপারে ওরা ভালো না এই কথা বলা:-নিজের স্ত্রীকে বলবেন না ভাই-বোনদের ব্যাপারে ওরা খা’রাপ। অনেক সময় তাদের উদ্দেশ্য করে খা’রাপ ম’ন্তব্য বা খা’রাপ ক’টুক্তি করে থাকে।

কিন্তু এরকম করা একেবারেই উচিত নয় কারণ স’ম্পর্ক কখনো একরকম ভাবে প্র’বাহিত হয় না। কেননা এখন হয়তো আপনার ভাই বোনের সাথে আপনার স’ম্পর্ক ভালো নেই কিন্তু প’রবর্তী ক্ষেত্রে দেখা যেতে যেতে পারে তাদের সাথে সুস’ম্পর্ক গড়ে উঠেছে। কিন্তু আপনার স্ত্রীর মনে এই ক’থাগুলি থেকেই যাবে সুতরাং সা’বধান।

৬) স্ত্রীর সামনে কা’ন্না করা:-পুরুষ মানুষদের অনেক কিছু সহ্য করতে হয় অনেক খা’রাপ পরি’স্থিতির মোকাবিলা করতে হয়। স্ত্রীর সামনে সহজে কান্না’য় ভে’ঙে পড়বেন না। আপনার স্ত্রীর সামনে নিজের কোন ক’ষ্ট প্র’কাশ করলে কিংবা কা’ন্না করলে তা ভালো তো দেখাই না এছাড়া একজন পু’রুষ মানুষের স্বামী স্ত্রী তার দু’র্বলতার কথা জেনে যায়।

৭) স্ত্রী’কে খাবার খাওয়া নিয়ে কথা বলা বা বি’দ্রুপ করা:-কোন কোন স্ত্রী হয়তো খেতে একটু বেশি ভালোবাসে কিন্তু তা বলে তাকে খা’বারের খোটা দেবেন না। কোনো স্ত্রীর কাছে এটা মোটেও প’ছন্দ নয় যে তার স্বামী খাবার নিয়ে বি’দ্রুপ করবে। চ’রম নি’ন্দনীয় একটি কাজ।

৮) তোমার কারনেই আমার সকল ক’ষ্ট:-অনেক স্বামীই তার স্ত্রী’কে উ’দ্দেশ্য করে এই জাতীয় কথা বলে থাকেন। কোন খা’রাপ কিছু ঘটলে তার স’মস্ত দো’ষ চা’পিয়েদিবেন স্ত্রীর উপর। অনেকে বলেন যে তোমাকে বিয়ের আগে আমার জীবন মানে যদি বিয়ের পর এত কিছু বলবেন না। দুজনের মধ্যে স’ম্পর্ক ন’ষ্ট হয়ে যাওয়ার স’ম্ভাবনা থাকে।

৯) স্ত্রীকে কু’লক্ষণে বা অপয়া বলা:-স্বামী তার স্ত্রীকে অল’ক্ষণে বলে থাকে। ভালো স্ত্রী তার স্বামীর সং’সারে খা’রাপ চায় না। কিন্তু এসব একেবারেই বাজে কথা। তাই এসব কথা বলা একেবারেই উচিত নয়।

১০) স্ত্রীকে কাজ নিয়ে খোটা দেওয়া:-অনেক সময় অনেক স্বামী স্ত্রীকে বলে যে তুমি কোন কাজ করো না। এক সময়ে কোন কাজ হয়তো স্ত্রীর অজানা থেকে যায় কিন্তু তাকে তি’রস্কার করা যাবে না। প্রয়োজনে সেটিকে শিখিয়ে দেবেন। এরকম করলে দুজনের প্রতি শ্র’দ্ধা ভালোবাসা বেড়ে উঠবে এবং এভাবে একজন স্বামী তার স্ত্রীর কাছে ভালো স্বামী হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে।

About Utsho

Check Also

হোটেলের বিছানার চাদর-বালিশ সাদা হওয়ার কারণ কী?

ঘুরতে নিশ্চয় ভালোবাসেন! আর দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়া মানেই হচ্ছে কোনো না কোনো হোটেলে রাত্রি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.