Breaking News

রিফাত হ’ত্যা প’লাতক ৯ জনের বি’রুদ্ধে গ্রে’ফতারি পরোয়ানা

বাদীপক্ষের আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু বলেন, শুনানি শেষে রিফাত হ’ত্যা মা’মলার অ’ভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আ’দালত। একই সঙ্গে মা’মলার পলাতক নয় আ’সামির বি’রুদ্ধে গ্রে’ফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

মা’মলার চার্জ গঠনের জন্য আগামী ৩ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আ’দালত। ওই দিন সব আ’সামিকে আ’দালতে হাজিরের নির্দেশ দেয়া হয় বহুল আ’লোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলার অ’ভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আ’দালত।

বুধবার দুপুর ২টার দিকে শুনানি শেষে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতের বিচারক মোহাম্ম’দ সিরাজুল ইস’লাম গাজী এ অ’ভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। অ’ভিযোগপত্র গ্রহণ করে এ মা’মলার পলাতক নয় আ’সামির বি’রুদ্ধে গ্রে’ফতারি পরোয়ানা জারি করেন বিচারক।

আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু আরও বলেন, রিফাত হ’ত্যা মা’মলার শুনানির আগে মো. সাগর, আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইস’লাম সিফাত, রেজোয়ান আলী খান ওরফে টিকট’ক হৃদয়, মো. হাসান, রাফিউল ইস’লাম রাব্বির জামিনের আবেদন করা হয়।

শুনানি শেষে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।আ’দালত সূত্র জানায়, ১ সেপ্টেম্বর আ’লোচিত রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলায় স্ত্রী’ মিন্নিসহ ২৪ জনকে অ’ভিযুক্ত করে অ’ভিযোগপত্র দেন মা’মলার ত’দন্ত কর্মক’র্তা বরগুনা সদর থানা পু’লিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির।

বুধবার সকালে অ’ভিযোগপত্রের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও মা’মলার মূল নথি বরগুনা জে’লা ও দায়রা জজ আ’দালতে থাকায় শুনানি শুরু হতে বিলম্ব হয়। এ অবস্থায় বেলা ১১টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইস’লাম গাজী অ’ভিযোগপত্র শুনানির জন্য দুপুর ২টায় সময় নির্ধারণ করেন।

এছাড়া এ মা’মলায় জামিনে থাকা আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি ও আরিয়ান হোসেন শ্রাবণ আ’দালতে উপস্থিত হয়েছেন তাদের অ’ভিভাবকদের সঙ্গে। বাবার মোটরসাইকেলে চড়ে আ’দালতে যান মিন্নি” বাবার মোটরসাইকেলে চড়ে আ’দালতে যান মিন্নি। শুনানি শুরু হওয়ার আগেই আ’দালতের কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ মা’মলায় গ্রে’ফতার আ’সামিরা।

রিফাত হ’ত্যা মা’মলায় অ’ভিযুক্ত ২৪ জনের মধ্যে ১৫ জনকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ। এ মা’মলার প্রাপ্তবয়স্ক অ’ভিযুক্ত মো. মুছা, মোহাইমিনুল ইস’লাম সিফাত, মো. হাসান, কিশোর অ’ভিযুক্ত মো. আবদুল্লাহ ওরফে রায়হান, মো. সাইয়েদ মা’রুফ বিল্লাহ ওরফে মহিবুল্লাহ, মা’রুফ মল্লিক, প্রিন্স মোল্লা পলাকত রয়েছেন।

মা’মলার এজাহারে প্রধান অ’ভিযুক্ত নয়ন ব’ন্ড ব’ন্দুকযু’দ্ধে নি’হত হওয়ায় তাকে মা’মলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।এদিন শুনানির জন্য বরগুনা জে’লা কারাগারে থাকা রিফাত হ’ত্যাকা’ণ্ড মা’মলার সাত আ’সামিকে আ’দালতে হাজির করা হয়।

তারা হলেন মো. রাকিবুল হাসান ওরফে রিফাত ফরাজী, আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইস’লাম সিফাত, রেজোয়ান আলী খান ওরফে টিকট’ক হৃদয়, মো. হাসান, রাফিউল ইস’লাম রাব্বি ও মো. সাগর।

আ’সামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, রিফাত হ’ত্যা মা’মলার অ’ভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আ’দালত। এদের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক অ’ভিযুক্তদের বি’রুদ্ধে দ’ণ্ডবিধি ৩০২, ৩৪, ১৩৯, ১২০ (বি-১) ধারায় অ’ভিযোগ গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি শি’শু-কিশোর অ’ভিযুক্তদের অ’ভিযোগ আমলে নিয়ে সেই আদেশ শি’শু আ’দালতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।

আরো পড়ুন হিন্দি চাপিয়ে দিলে মানবো না, অমিত শাহকে রজনীকান্ত হিন্দি ভাষা নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

অমিতের ওই মন্তব্য অ-হিন্দিভাষী রাজ্য বা অঞ্চলে এ ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন বিরোধিতাকারীরা। বিরোধীকণ্ঠের সেই মিছিলে এবার যোগ দিলেন মহাতারকা রজনীকান্ত। তিনি সাফ বলে দিয়েছেন, হিন্দি জোর করে চাপিয়ে দিতে চাইলে কেউ (অ-হিন্দিভাষীরা) মানবে না।

চেন্নাইয়ে তামিল ভাষায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ‘সুপারস্টার’ রজনীকান্ত বলেন, ‘কোনো ভাষাই জোর করে চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। এমন কোনো চিন্তা হলে তামিলনাড়ুতো নয়ই, দক্ষিণের কোনো রাজ্য তা মানবে না, এমনকি উত্তরাঞ্চলের অনেক রাজ্য-অঞ্চলও মেনে নেবে না।’ভক্তদের প্রিয় ‘থালাইবা’ বলেন, ‘একটি সাধারণ ভাষা একটি দেশের উন্নয়নের জন্য ভালো, তবে দুর্ভাগ্যক্রমে ভারতে কোনো একটি নির্দিষ্ট ভাষাকে সাধারণ ভাষা হিসেবে গণ্য করার ধারণা যথার্থ নয়।’

ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের দিক থেকে ভারত অনন্য। কেন্দ্রীয় সরকার হিন্দি ভাষাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকলেও ভারতের দক্ষিণের অনেক অগ্রসর রাজ্য চলছে তাদের নিজস্ব ভাষায়ই। এমনকি উত্তর ও উত্তর-পূর্বের অনেক রাজ্যে আঞ্চলিক ভাষাকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকে সেখানকার নেতৃত্ব।কিন্তু অমিত শাহের ওই মন্তব্যে অ-হিন্দিভাষী রাজ্যগুলোর নেতারা বলছেন, হিন্দিকে অ-হিন্দিভাষীদের ওপর চাপিয়ে দিতে কেন্দ্রীয় সরকারের চাল চলছে।

সর্বপ্রথম কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ করেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়। তিনি টুইট করে বলেন, ‘আমাদের দেশকে হিন্দি ভাষার মাধ্যমেই ঐক্যবদ্ধ করে তোলা সম্ভব বলে যে দাবি করা হচ্ছে সেটা একেবারেই অযৌক্তিক।’এর প্রতিবাদে সোচ্চার হন তামিলনাড়ুর আরেক অভিনেতা-রাজনীতিবিদ কমল হাসান। তিনি বলেন, ‘ভারতের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোয় এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত কেন্দ্রের।’

এ ধরনের চিন্তায় ‘ভাষা-যুদ্ধ’ শুরু হতে পারে হুঁশিয়ারি দিয়ে কমল হাসান বলেন, ‘ভারতীয় প্রজাতন্ত্র গঠনের সময় বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এখন কোনো শাহ, সুলতান বা সম্রাট সেই প্রতিশ্রতিকে ভাঙতে পারবেন না। ভাষার জন্য যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে। ভারত বা তামিলনাডুর এমন যুদ্ধের কোনো প্রয়োজন নেই। আমরা সব ভাষাকেই সম্মান করি। কিন্তু মাতৃভাষা সব সময়ই তামিল থাকবে।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক সমাজও কেন্দ্রের এ ধরনের চিন্তাভাবনার বিরুদ্ধে জনতাকে গর্জে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন। নাগরিক সমাজের ৫০ জন প্রতিনিধি এক বার্তায় বলেন, ‘অদূর ভবিষ্যতে এমনও দিন আসতে পারে, যেদিন আমাদের মাতৃভাষা, আমাদের প্রিয় বাংলা ভাষাকে বিপন্ন হতে হবে।’প্রতিবাদীদের এই মিছিলে আছেন বাংলার কবি সুবোধ সরকার, কবি-গদ্যকার বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, আবৃত্তিকার ঊর্মিমালা বসু ও জগন্নাথ বসু, চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য প্রমুখ।

About Utsho

Check Also

সেই মা’রিয়াকে নিয়ে খেলায় মা’তলেন ডিসি

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজে’লার হেলতলা ইউনিয়নের খলিসা গ্রামে পরিবারের সব স্বজন হা’রানো সেই মা’রিয়া সুলতানা এখনও …

Leave a Reply

Your email address will not be published.