Breaking News

রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবে ডিম!

ডায়াবেটিস বর্তমান সময়ে একটি খুব সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডায়াবেটিস রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যায়। রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে শরীরে নানা ধরনের সমস্যা শুরু হয়। রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে সুষম খাবার খেতে হবে।

যেমন- শাকসবজি, ফলমূল, দুগ্ধজাতীয় এবং আঁশযুক্ত খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে শতকরা ১০ ভাগ ফ্যাট খাওয়া কমানো গেলে রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। নানা বিধি-নিষেধ মেনে চলার পরও একটু এদিক ওদিক হলেই চড়চড় করে বাড়তে থাকে রক্তে সুগারের মাত্রা। তাই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের খাওয়া দাওয়ার ক্ষেত্রে মারাত্মক নিয়ম মেনে চলতে হয়।

ডায়াবেটিস ধরা পড়লে পছন্দের প্রায় সব খাবারই বাদ পড়ে খাদ্য তালিকা থেকে। তবে সম্প্রতি একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, রক্তে সুগারের মাত্রা সহজেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে ডিম। ইস্টার্ন ফিনল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক দীর্ঘ গবেষণার পর জানিয়েছেন,

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা সেদ্ধ ডিম খেতেই পারেন। তবে সেদ্ধ করার আগে কয়েকটি নিয়ম অবশ্যই মেনে চলতে হবে। আসুন সেই নিয়মগুলি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
১.ডিম ভিনিগারে ডুবিয়ে রাখুন। সারারাত ভিনিগারে ভেজার পর, সকালে সেই ডিম সিদ্ধ খান

২.রক্তে সুগার ও ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে দারুচিনি। তাই ডায়াবেটিসের রোগীরা প্রতিদিনের খাবারে কিংবা চা বা গরম জলে সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন। সিদ্ধ ডিম যদি সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো দিয়ে খেতে পারেন, সে ক্ষেত্রে ফল আরও ভাল মিলবে।

এ কথা আমরা প্রায় সকলেই জানি ডিমে আছে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ভিটামিন এ, ডি, বি এবং বি-টুয়েলভ। এছাড়াও ডিমে আছে লুটেইন ও যিয়াস্যানথিন নাম দুটি প্রয়োজনীয় উপাদান যা বৃদ্ধ বয়সে চোখের ক্ষতি ঠেকাতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, এই সব পুষ্টিগুণ মিলে আমাদের শরীরে তৈরি হয় ভালো কোলেস্টরল। তাই শরীরে কোলেস্টরল আর ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সঠিক পদ্ধতি মেনে ডিম খান।

About Utsho

Check Also

হোটেলের বিছানার চাদর-বালিশ সাদা হওয়ার কারণ কী?

ঘুরতে নিশ্চয় ভালোবাসেন! আর দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়া মানেই হচ্ছে কোনো না কোনো হোটেলে রাত্রি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.