Breaking News

যৌ’ন ইচ্ছা কমিয়ে দেয় ৫টি খাবার

কর্মব্যস্ততার কারণে আম’রা অনেক সময় নিয়মিত খাবারের বিপরীতে নানা ধরনের খাবার খেয়ে থাকি। যেসব খাবার আসলে আমাদের তাৎক্ষণিক ক্ষুধা মেটালেও যৌ’ন জীবনে বেশ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।বিশেষ করে শারীরিক মিলনের প্রতি আকাঙ্ক্ষাও কমিয়ে দিতে পারে।

একারণে অনেকেই না বুঝে বিভিন্ন ওষুধ সেবন করে থাকেন।যা আসলে শ`রীরে সাময়িক এনার্জি এনে দিলেও নানা রোগের ঝুঁ’কি বাড়িয়ে থাকে। তাই যৌ’ন আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে আনতে পারে এমন খাবারগুলো এখন থেকেই এড়িয়ে চলা শ্রেয়।

যৌ’ন আকাঙ্ক্ষা বা যৌ’ন ক্ষমতার ওপর কুপ্রভাব ফেলতে পারে যেসব খাবার-
১. অ’তিরিক্ত চিজ খেলে যৌ’নজীবনে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আসলে গরুর দুধে প্রচুর পরিমাণ সিনথেটিক হরমোন রয়েছে যা প্রচুর পরিমাণে খাওয়ার ফলে শ`রীরে স্বাভাবিক হরমোন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায়।

২. অ’তিরিক্ত ম’দ্যপান যৌ’ন জীবনে মা’রাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ইরেক্টাইল সমস্যাসহ, মিলনের শুরুতেই দ্রুত বীর্যপাতের কারণ হতে পারে অ’তিরিক্ত ম’দ্যপান। তাছাড়া অ্যালকোহল শ`রীরে একটা অবসন্ন ভাব এনে দেয়। ফলে যৌ’ন মিলনের সময় উপযুক্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার ঘাটতি দেখা দেয়।

৩. মাইক্রোওয়েভে তৈরি করা পপকর্ন খেলেও যৌ’ন মিলনে মা’রাত্মক প্রভাব ফেলে। এই সব পপকর্নে থাকে অ্যাসিডের মতো কেমিক্যাল যা আস্তে আস্তে যৌ’ন মিলনে ক্ষমতা হ্রাস করে।

৪. ইউরোপিয়ান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সয়া মিল্ক বা সয়া সস ব্যাপকভাবে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে যৌ’ন আকাঙ্ক্ষা কমে যায়।
গবেষকরা জানিয়েছেন, যারা দিনে ১২০ গ্রাম সয়া খান তাদের শ`রীরে টেস্টোস্টেরন কমে যায়। এতে সয়া কমিয়ে দেয় শুক্রাণুর পরিমাণও।

৫. যেকোনো ধরনের রিফাইন কার্বোহাইড্রেট (চিপস, পাউরুটি, ডোনাট) বা শর্করা যৌ’ন মিলনের ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। রিফাইন কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা শ`রীরে এস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, কমিয়ে দেয় টেস্টোস্টেরনের মাত্রা। ফলে যৌ’ন জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আরো পড়ুন ঢাকায় চ’ড়া দামে বি’ক্রি হচ্ছে পুরুষ’ত্ব, বিক্রি হচ্ছে পুরুষত্ব কলগার্লের যখন রমরমা ব্যবসা তখন এ’সকর্টের খাতায় নাম লেখাতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই। বেশিরভাগ সময় এইসব ছেলেরা পুরুষত্ব বিক্রি করে কর্পোরেট বিজনেসম্যানদের স্ত্রীদের কাছে।কিংবা সেই সকল মহিলা যারা উদ্যম জীবন যাপনে অভ্যস্ত। ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে এসকর্ট বিজনেস কিংবা কল গার্ল নামে যে কালচারটা গড়ে উঠেছে সেটার লিডিং পজিশনে আছে নামী দামি ভার্সিটির উচ্চ শিক্ষিত মেয়েরা।

শুধু মেয়েরাই এই এসকর্ট বিজনেসে চালিয়ে যাচ্ছে এমনটা নয়; ছেলেরাও এখন নিজেদের পুরুষত্ব বিক্রি করছে চড়া দামে। সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসকর্ট বিজনেসের এই রমরমা ব্যাবসায় মেয়েরা আগে পেটের দায়ে আসলেও, এখন আসে স্রেফ উচ্চাভিলাষী জীবনযাপনের জন্য।ঢাকার উত্তরায় এরকম কিছু ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানে

স্বামী স্ত্রী” উভয়েই এসকর্ট বিজনেসের সাথে জড়িত। স্বামী বাইরের লোককে ডেকে এনে স্ত্রীর ঘরে পাঠায়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একেবারে বাসায় বসে নিরাপদে এরকম বিজনেস চালিয়ে আসছিল বেশ কিছু যুগল। যেহেতু হোটেল বিজনেসের মতো উদ্যম নয় অতএব মানুষের চোখের আড়ালে খুব সহজেই বিজনেস চালানো সহজ ছিল।লক্ষ্যনীয় বিষয় এই যে, ভার্সিটির এই ছেলে মেয়েগুলোকে কখনোই আপনি ধরা পড়তে দেখবেন না। ধরা খায় রাস্তার ৩০০ টাকার মেয়েটা, কিংবা

কোন সস্তা পতিতালয়ের কোন সস্তা মেয়ে।অনলাইন এবং অফলাইন সব জায়গায় এই এক্সপেন্সিভ গ্রুপটা বেশ আধিপত্যের সাথে বিজনেস করে। উচু লেভেলের কলগার্লের নামের তালিকা ঘাটলে অনেক মডেলকেও পাওয়া যাবে। ভার্সিটির মতো জায়গা থেকে যখন উচ্চ শিক্ষিত মেধাবী মানুষ বের হওয়ার কথা, তখন সেখান থেকে বের হয় উচ্চ শিক্ষিত এসকর্ট (ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই)।এসকর্ট বিজনেসের সঙ্গে জড়িত এক বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণী জানায়, একজন স্ত্রী তার স্বামীর কথায় আরেকজন পুরুষের সাথে

বিছানা শেয়ার করতে সানন্দে রাজি হয়ে যাচ্ছে।বিনিময়ে শরীর বিক্রি করে স্মার্ট ফোন, ল্যাপটপও আদায় করে নিচ্ছে অনেকে। এ পেশায় আধুনিক ছেলেরাও যোগ দিয়েছে। যে লক্ষণগুলো স্পষ্ট করে একজন নারী বিবাহিত জীবনে অসুখী অনেকগুলো স্বপ্নের জাল বুনে একজন নারী স্বামীর সংসার শুরু করেন। বলা যায় একটি নতুন জীবনের সূচনা। বিবাহিত জীবন খুব সুখে শান্তিতে কাটবে এমনটাই কমনা থাকে সবার তবে সব আশা সবার পুর্ন হয়না। তাই বিয়ের পরও দুঃখী থেকে যায় কিছু নারী।

About Utsho

Check Also

হোটেলের বিছানার চাদর-বালিশ সাদা হওয়ার কারণ কী?

ঘুরতে নিশ্চয় ভালোবাসেন! আর দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়া মানেই হচ্ছে কোনো না কোনো হোটেলে রাত্রি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.