Breaking News

যেখানে মে’য়েদের দিয়ে চলে ধ’র্ষণের প্রতিযোগিতা! বিজয়ীদের দেওয়া হয় আ’কর্ষণী’য় পু’রুষ্কার!!

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ধর্ম ইসলাম, এখানকার ৯০ শতাংশ মানুষই হল মু’সলমান। তারপরেও টাঙ্গাইল জে’লার কান্ডপাড়া যৌ’নপল্লী হলো কয়েকটি মু’সলিম রাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম পল্লী।

যেখানে যৌ’নতাকে দেখা হচ্ছে ব্যাবসা হিসাবে। আর এই দর্শন তাদের প্রায় দুইশ বছর যাবত চলে আসছে।২০১৪ সালে কান্ডপাড়া যৌ’নপল্লীটিকে গু’ড়িয়ে দেয়া হয়েছিল।

কিন্তু পরবর্তীতে যৌ’নপল্লীটি আবারও স্থাপন করা হয় একটি স্থানীয় বেস’রকারি সংস্থার সহায়তায়।এই পল্লীতে এমন অনেক না’রী পাওয়া যাবে যাদের কিছু করে খাওয়ার সামর্থ্য নেই,

এমন কি তারা জানেই না তারা কোথায় যাবে কি করবে। তাই হয়তো তারা কাটিয়ে দেন জীবনের শেষ সময়টুকুও এই নি’ষিদ্ধ পল্লীতে।যৌ’নপল্লী থাকুক বলে যারা সমর্থন জানিয়ে এসেছেন তারা বিশ্বাস করে যে,

যৌ’নবৃত্তিও একটি পেশা এবং এই পেশায় যুক্ত না’রীরা অন্যকিছু করতে পারছে না।এই দেয়ালের মধ্যে সংরক্ষিত অঞ্চলটিতে সমাজের অন্যান্য স্থানের কোনো নিয়ম চলে না, এখানে রয়েছে তাদের নিজস্ব নিয়ম-কানুন।

যৌ’নপল্লীর ভেতরে না’রীরা একদিকে যেমন দু’র্বল তেমনি অপরদিকে খুবই শ’ক্তিশালী।সবচেয়ে ঝুঁ’কিপূর্ণ অবস্থার সৃষ্টি হয় যখন যৌ’নপল্লীতে কোনো নতুন তরুণীর আগমন ঘটে।

তখন সেই না’রীকে স্রেফ একজন যৌ’নদাসী হিসেবে দেখা হয়। আর অবশ্যই একজন নতুন যৌ’নদাসীর বয়স হতে হবে ১২ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে।

বিশেষত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দরিদ্র পরিবারের মে’য়েদেরই বিভিন্ন যৌ’নপল্লীতে দেখা যায়। সমাজের বিভিন্ন হাত ঘুরে পা’চার হয়ে শেষমেষ তাদের স্থান হয় ওই যৌ’নপল্লীগুলোতে।

এখানে তাদের নেই কোনো স্বাধীনতা বা অধিকার। তাদের জীবনের সবকিছু বা’ধা থাকে মাসি নামক এক চরিত্রের কাছে, যার আশ্রয়ে থেকে ওই পা’চার হওয়ার না’রীরা তাদের শ’রীরকে প্রস্তুত করে খদ্দেরদের জন্য।

বাড়িওয়ালি মাসি একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থের বিনিময়ে ওই না’রীকে কিনে নেয়ার কারণে যতদিন পর্যন্ত না সেই ঋ’ণ শোধ না হয় ততদিন পর্যন্ত ওই না’রীর পক্ষে কোনো টাকা জমানো সম্ভব হয় না।

যখন ঋ’ণের টাকা সম্পূর্ণ পরিশোধ হয়ে যায় তখন চাইলে সেই না’রী তার টাকা জমাতে পারে। কিন্তু বেদনাদায়ক ব্যাপার হলো, ওই না’রীকে সেই ঋ’ণের টাকা পরিশোধ করতে কমপক্ষে পাঁচ বছর সময় লেগে যায়।

ঋ’ণের টাকা শোধ হয়ে যাবার পর নিয়মমাফিক ওই না’রী চাইলে যৌ’নপল্লী ছেড়ে চলে যেতে পারেন। কিন্তু তরুণ বয়সের পাঁচ বছর ওই অন্ধকার প্রকোষ্ঠে অতিক্রান্ত করার পর তার পক্ষে সাধারণ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়া এক কথায় অসম্ভব হয়ে যায়।

তখন তাদেরকে প্রচলিত সমাজ এবং পরিবার কেউই গ্রহন করতে চায় না। সমাজ তাদের বর্জন করায় পুনরায় সেই যৌ’নপল্লীতেই ফিরে যেতে হয় তাদের। বাংলাদেশের অধিকাংশ যৌ’নপল্লীর চিত্রই প্রায় এক। অধিকাংশ না’রীই এখানে বা’ধ্য হয়ে আসেন এবং একটা পর্যায়ে থেকে যেতে বা’ধ্য হন।

About Utsho

Check Also

হোটেলের বিছানার চাদর-বালিশ সাদা হওয়ার কারণ কী?

ঘুরতে নিশ্চয় ভালোবাসেন! আর দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়া মানেই হচ্ছে কোনো না কোনো হোটেলে রাত্রি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.