Breaking News

গর্ব করে বলতে পারি আমি তালাকপ্রাপ্ত : বাঁধন

নিজের ফেসবুকে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও সাইবার বুলিং নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।বাঁধন লিখেছেন, আমি স্বতঃস্ফূর্ত, স্বতন্ত্র একজন নারী, একজন সিঙ্গেল মাদার, একটা সুন্দরী কন্যার মা এবং ৩৬ বছর বয়সী এই আমি বাংলাদেশের একজন দায়িত্বশীল নাগরিক।

এবং হ্যাঁ! আমি গর্ব করে বলতে পারি, আমি মিডিয়ার এবং তালা’কপ্রাপ্ত একজন মেয়ে। আমার জীবন এবং শরী’রেও ত্রুটি রয়েছে।আর্থিক, মানসিক ও শা’রীরি’কভাবে স্বামী ছাড়া কীভাবে আমি আমার দিনগুলো কাটাচ্ছি তা আপনার উদ্বেগের বিষয় নয়! এটি একান্তই আমার জীবন এবং আমার উ’দ্বেগ।

আপনাকে বি’রক্ত না করে যদি আমি নিজেকে পরিচালনা করতে পারি তাহলে আপনি আমার পেশা, আমার জীবন এবং আমার কাপড়-চোপড়ের বি’চার করার চেষ্টা করবেন না।এমনকি আমাকে জিজ্ঞাসা করা বা আপনার অপ্রাসঙ্গিক মতামত প্রকাশের চেষ্টাও করবেন না

যা আমাকে বির’ক্ত করা ছাড়া কিছুই করবে না। সময় এবং মস্তিষ্ককে নিজের জন্য বিনিয়োগ করুন, যা আপনাকে আপনার দেশের জন্য আরও ভালো মানুষ, উন্নত নাগরিক হতে সহায়তা করবে।একটি সময় ছিল যখন আমি এ সব সামাজিক ও সাইবার বুলিংয়ের বিষয়ে খুব ভয় পেয়েছিলাম।

আমি এতটাই অস’হনীয় আ’ঘাত পেয়েছি, যা কথায় ব্যাখ্যা করতে পারব না। যে কেউ যখন অস্বাভাবিক মন্তব্য করেন প্রতিনিয়ত তখন সেই পরিস্থিতি গ্রহণ করা এতটাও সহজ নয়, আমার জন্য সহজ ছিল না।সুতরাং দয়া করে কারও পরিস্থিতি না জেনে তার স’ম্পর্কে কোনো রায় দেবেন না।

আপনি যদি সহানুভূতি দেখাতে না পারেন তবে দয়া করে তাদের ক্ষ’তি করবেন না। আপনার ক’ঠোর শব্দ, ক’ঠোর ক্রিয়া এমনকি আপনার ক’ঠোর চেহারা থেকে তাদের বিরতি দিন। আমাকে কখনও বি’চার করতে আসবেন না কারণ আপনি আমার জুতায় চলেননি।

সর্বশেষ কিন্তু সর্বনিম্ন নয়, সামাজিক এবং সাইবার বুলিং একটি কৌতুক নয় অপ’রাধ। সুতরাং সামাজিক ও সাই’বার বর্ব’রতা বন্ধ করুন এবং নিজের সম্পর্কে সত’র্ক থাকুন। ঘর ভাঙছে মাহিয়া মাহির ঘর ভাঙছে মাহিয়া মাহির- তারকাদের প্রে’ম, বিয়ে, বিচ্ছেদ নিয়ে শোবিজ অঙ্গনে প্রায়ই গু’ঞ্জন র’টে থাকে।

কখনো সেই গু’ঞ্জন সত্যি হয়ে বেরিয়ে আসে সবার সামনে, আবার কখনো তা গু’ঞ্জন হিসেবেই থেকে যায়।মিডিয়া পাড়ায় অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে, ভালো নেই চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। সংসার জীবনের ইতি টানার পথেই হাঁটছেন অগ্নি’খ্যাত এই নায়িকা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাহির একাধিক ঘ’নি’ষ্টসূত্র।জানা গেছে, বেশ কয়েক মাস ধরে স্বামী পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে তার বনিবনা হচ্ছে না। থাকছেন আলাদাও। এমনকি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতেও মাহির পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায় না অপুকে। যদিও এ বিষয়ে মাস কয়েক আগে মুখ খুলেছিলেন মাহিয়া মাহি।

ওই সময় মাহি বলেছিলেন, ‘ব্য’ক্তিগ’ত অভিমানের কারণে আপাতত অপুর সঙ্গে ছবি প্রকাশ করছেন না তিনি।’ তাও গত বছরের শুরুর কথা। এর মধ্যেও তাদের ‘ব্য’ক্তিগত অভি’মান’ ভাঙেনি, এমনটাই বলছে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম। এখনও মাহি-অপু কেউই ফেসবুক কিংবা ইনস্টাগ্রামে একসঙ্গে কোনো ছবি প্রকাশ করেনি।

ঘ’নিষ্টসূত্র থেকে আরও জানা যায়, মাহি এখন তার ফ্যাশন হাউজ ‘ভারা’ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আর অপু ব্যস্ত আছেন তার সিলেটের ব্যবসা নিয়ে।এদিকে, বছরের প্রথমদিন মাহির ফেসবুক পোস্ট ‘গু’ঞ্জনের আ’গুনে’ নতুন করে ঘি ঢালে।

মাহি তার ফেসবুকে পোস্টে লিখেছেন- ‘১৯৯৩-২০১৯ পর্যন্ত আমার প্রথম realisation। আমার জীবনে এখনো কোনো প্রথম ভালো’বাসা/ সত্যিকারের ভালো’বাসা আসেনি।’ আর নতুন বছর মাহি উদযাপন করেছেন তার বন্ধুদের সঙ্গে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে সেই ছবিই প্রকাশ করেছেন তিনি।

সেখানেও দেখা যায়নি অপুকে।এছাড়াও জানা যায়, শোবিজ অঙ্গনের কোনো অনুষ্ঠান কিংবা শুটিং সেটে অপুকে এখন আর দেখা যায় না। সর্বশেষ মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘আনন্দ অশ্রু’র শুটিংয়েও আসেননি অপু। কিন্তু একটা সময় মাহির প্রায় সব ছবির শুটিংয়ে অপুকে দেখা গেছে।তাহলে কী সত্যি মাহি-অপু আলাদা পথে হাঁটছেন? বিষয়টি জানতে একাধিকবার মাহিকে ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে এ বিষয়ে কথা বলেছেন অপু। তিনি বলেন, ‘আসলে এমন কিছুই না। গত পরশুদিন আমি ঢাকা থেকে সিলেটে এসেছি। আর এসব যা হচ্ছে, তা শুধুই গু’ঞ্জন। এর বাইরে আর কিছুই না।তিনি আরও বলেন, ‘একটা সংসারে চলতে গেলে স্বাভাবিক কিছু সমস্যা হতেই পারে। আর আমি হলাম মিডিয়ার বাইরের মানুষ, মাহি মিডিয়ার। ফলে আমাদের মধ্যে ব’নিবনা নিয়ে একটু ঝা’মেলা হতেই পারে। এর বাইরে আর কিছুই না।’এদিকে, আগামী পরশু কিশোরগঞ্জে শুরু হচ্ছে ‘আনন্দ অশ্রু’র শেষ অংশের শুটিং।

ছবির শুটিংয়ে অংশ নিতে আগামীকাল শুক্রবার কিশোরগঞ্জ রওনা হবে মাহিয়া মাহি, সাইমন সাদিক, আলীরাজসহ অনেকে। এমনটাই জানিয়েছেন ছবির নির্মাতা মোস্তাফিজুর রহমান মানিক। এখন দেখার পালা, শুটিং সেটে অপুকে দেখা যায় কি না।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২৪ মে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও মাহমুদ পারভেজ অপুর বিয়ে সম্পন্ন হয়। দুজনের মধ্যে পূর্ব পরিচয় থাকলেও উভয় পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে করেন মাহি-অপু। এর আগে, ওই বছর ১২ মে গো’পনে মাহি ও অপুর বাগদান হয়।

About Utsho

Check Also

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শা’রীরিক অ’বস্থার উ’ন্নতি

করোনায় আক্রান্ত হয়ে কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার …

Leave a Reply

Your email address will not be published.